যেসব এলাকায় জামায়াতের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানে পরিকল্পিতভাবে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বিএনপিকে জনগণের কাছে বিতর্কিত ও হেয় করার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রীর দাবি, একটি রাজনৈতিক দল এসব এলাকায় নেতা-কর্মীদের দিয়ে সারের সংকট তৈরি করে আন্দোলন করেছে। তবে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, এমন এলাকায় সারের সংকট নিয়ে কোনো আন্দোলন হয়নি।
এ সময় সাংবাদিকদের সামনে একটি মানচিত্র প্রদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। এতে কুড়িগ্রাম, রংপুর, নড়াইল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরাকে লাল রঙে চিহ্নিত করে সারের সংকট হয়েছে—এমন এলাকা বোঝানো হয়েছে। মীর শাহে আলমের দাবি, এসব এলাকায় জামায়াতের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে দেশের যেসব এলাকায় বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, সেখানে সারের সংকট হয়নি।
যে সময়ে সারের সংকটের কথা বলা হয়েছে, ওই সময়ে দেশের কোথাও সারের সংকট ছিল না। কুড়িগ্রামেও কোনো সংকট ছিল না। একটি রাজনৈতিক দল ও ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের নিয়োগ করা’ কিছু ডিলার কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছিলেন।মীর শাহে আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
কুড়িগ্রামে সারের সংকট প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে সময়ে সারের সংকটের কথা বলা হয়েছে, ওই সময়ে দেশের কোথাও সারের সংকট ছিল না। কুড়িগ্রামেও কোনো সংকট ছিল না। একটি রাজনৈতিক দল ও ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের নিয়োগ করা’ কিছু ডিলার কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এসব কারণে আগের ডিলারদের পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের মধ্য থেকে একজন করে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে জেলা ও উপজেলা কমিটি প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে তিনজন করে ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করেছে। যেসব এলাকায় সারের ডিলার পালিয়ে গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন, সেসব এলাকার শূন্য পদেও ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে।

0 Comments